MV Aboshar

AC Tourist Vessel

স্বপ্নের ভ্রমণ শুরু হোক Rainbow Tours-এর সাথে

প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য, রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসভূমি, হরিণ, কুমির, অসংখ্য পাখি এবং ম্যানগ্রোভ বনের অনন্য অভিজ্ঞতা উপভোগ করুন Rainbow Tours-এর নিরাপদ ও আরামদায়ক শিপ ট্যুরের মাধ্যমে।

sundarban-1
sundarban-2
WhatsApp Image 2026-08-08 at 11.04.02 AM (1)
2001

আমাদের প্যাকেজ

এটি সুন্দরবনের অনন্য সৌন্দর্য ও বৈচিত্র্যকে স্বল্পসময়ে এবং নিরাপদভাবে অনুভব করার একটি অসাধারণ সুযোগ এনে দেয়।

আমাদের আছে
গ্রাহক নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা
65000 +
নিজস্ব জাহাজ
0 টি
অভিজ্ঞতা
0 বছরের

সুন্দরবনের রোমাঞ্চকর ভ্রমণে আপনার বিশ্বস্ত সঙ্গী

প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য, রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসভূমি, হরিণ, কুমির, অসংখ্য পাখি এবং ম্যানগ্রোভ বনের অনন্য অভিজ্ঞতা উপভোগ করুন Rainbow Tours-এর নিরাপদ ও আরামদায়ক শিপ ট্যুরের মাধ্যমে।

আন্ধারমানিক ইকো-ট্যুরিজম সেন্টার

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলায় সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জে আন্ধারমানিক নদী তীরে অবস্থিত। এটি সুন্দরবনের একটি সুন্দর ও নতুন ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র। এখানে উচুঁ কাঠের ট্রেইল, পন্টুন ও হরিণ দেখার সুব্যবস্থা আছে।

আন্ধারমানিক কেন্দ্রের বিশেষত্ব:
• কাঠের ট্রেইল: বনের ভেতর নিরাপদে হাঁটার জন্য উঁচু ফুট ট্রেইল বা ওয়াকওয়ে।
• বন্যপ্রাণী: চিত্রা হরিণ, পাখি ও নদীর চারপাশের সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ।
• শান্ত পরিবেশ: কোলাহলমুক্ত ও নিভৃত পরিবেশ

কচিখালি

কচিখালী হলো সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের পূর্ব বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে অবস্থিত একটি অন্যতম বন্য, রোমাঞ্চকর এবং রহস্যময় পর্যটন কেন্দ্র, যা পর্যটকদের কাছে “বাঘের রাজ্য” বা “টাইগার পয়েন্ট” নামেও পরিচিত। কটকা নদীর পূর্ব তীরে এবং বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত এই স্থানটি ম্যানগ্রোভ বন, বন্যপ্রাণী এবং সমুদ্র সৈকতের এক অপূর্ব মেলবন্ধন।

প্রধান আকর্ষণসমূহ:
• কচিখালী সমুদ্র সৈকত: বনের একদম শেষ সীমানায় অবস্থিত এই সৈকতটি সাদা ঝিনুক, লাল কাঁকড়া আর কালো ঝিনুকে ঘেরা। এখানে বনের শান্ত পরিবেশের সাথে সমুদ্রের ঢেউয়ের গর্জন এক অন্যরকম অনুভূতি দেয়।
• বন্যপ্রাণী দর্শন: এখানকার অভয়ারণ্যে চিত্রা হরিণ, মায়া হরিণ, বানর, বন্য শুকর, বন মোরগ এবং অজগর সাপের অবাধ বিচরণ রয়েছে। বনের উত্তর-পশ্চিমের কেওড়া বনে প্রায়ই হরিণের পাল দেখা যায়।
• বাঘের ডেরা ও পায়ের ছাপ: কচিখালীকে বাঘের মুক্ত বিচরণের আদর্শ স্থান বলা হয়। এখানকার তিনটি টাইগার টিলায় এবং সমুদ্র সৈকতে রাতের বেলা বাঘ ঘুরে বেড়ায়, যার ফলে ভোরে প্রায়ই বাঘের তাজা পায়ের ছাপ (Pugmarks) দেখতে পাওয়া যায়।
• ওয়াচ টাওয়ার: এখানে একটি ৪০ ফুট উঁচু ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে, যেখান থেকে পুরো সুন্দরবনের সবুজের সমারোহ এবং চমৎকার সূর্যাস্ত উপভোগ করা যায়।
• ক্যানেল ক্রুজিং ও জলজ প্রাণী: ছোট ট্রলার বা নৌকা নিয়ে এখানকার খালের ভেতর দিয়ে ঘোরার সময় কটকা নদীর মোহনায় কুমির, শুশুক এবং ডলফিনের খেলা দেখা যায়।

 

কটকা

সুন্দরবনের দক্ষিণ পূর্ব কোণে খুলনা ও বাগেরহাটে অবস্থিত কটকা সমুদ্র সৈকত। এটি মংলাবন্দর থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং সুন্দরবন পূর্ব অভয়ারণ্যের মধ্যে প্রধান কেন্দ্র।
সুন্দরবনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার। কিন্তু বনে বাঘের দেখা মেলা যেমন ভার, তেমনি ঝুঁকিপূর্ণও বটে। তবে বাঘের দেখা পাওয়া ও নিরাপদে থাকা দুই-ই সম্ভব সুন্দরবনের চমৎকার পর্যটন কেন্দ্র কটকা অভয়ারণ্য থেকে। এখানে প্রায়ই দেখা মেলে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের। এছাড়া মনোরম চিত্রা হরিণের দল, বিভিন্ন জাতের পাখি, শান্ত প্রকৃতি এবং বিভিন্ন বন্য প্রাণীর উপস্থিতি এসবই এ স্থানটিকে অসাধারণ সৌন্দর্য দিয়ে ভরে দিয়েছে।
বন কার্যালয়ের পেছন দিক থেকে সোজা পশ্চিমমুখী কাঠের তৈরি টেইলের উত্তর পাশের খালটির ভাটার সময় ম্যানগ্রোভ জাতীয় উদ্ভিদের ঘন শ্বাসমূল দেখা যায়। এছাড়া একটু শান্ত থাকলে বা নিরিবিলি যেতে পারলে এখানে দেখা মিলতে পারে চিত্রা হরিণেরও। ট্রেইলের শেষ মাথায় হাতের ডানে সোজা দক্ষিণে মিনিট হাঁটলে পাবেন টাইগার টিলা। এ টিলায় প্রায়ই বাঘের ছাপ দেখতে পাওয়া যায় বলেই টিলাটির এমনতর নামকরণ। টাইগার টিলা থেকে সামান্য পশ্চিমে বয়ার খাল। দুইপাশে কেওড়া, গোলপাতা আর নানান পাখির কলকাকলিতে মুখর থাকে জায়গাটি।
এছাড়া কটকার জেটির উত্তরে খালের চরজুড়ে থাকা কেওড়ার বনেও দেখা মেলে দলবদ্ধ চিত্রা হরিণ, বানর আর শূকরের। আবার শীতের সময় দেখা মিলে যেতে পারে রোদ পোহানো লোনা জলের কুমির। কটকা বন কার্যালয়ের ঠিক ওপারে একটি ছোট খাড়ি চলে গেছে সোজা পূর্ব দিকে। এই পথে কিছু দূর যাওয়ার পরে হাতের ডানে ছোট্ট জেটি এবং ওপরে ওয়াচ টাওয়ার। কটকার ওয়াচ টাওয়ারটি চারতলা বিশিষ্ট। ৪০ ফুট উচ্চ টাওয়ার থেকে উপভোগ করা যায় সুন্দরবনের অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

ডিমেরচর

ডিমের চর হলো সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কচিখালী অভয়ারণ্যের আওতাধীন বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে ওঠা একটি অনিন্দ্যসুন্দর এবং নির্জন দ্বীপ-সৈকত।
আকাশ থেকে বা দূর থেকে দ্বীপটিকে দেখতে অনেকটা ডিমের মতো আকৃতির মনে হয় বলে একে ‘ডিমের চর’ নামকরণ করা হয়েছে। কটকা সমুদ্রসৈকত ভেঙে যাওয়ার পর থেকে সুন্দরবন ভ্রমণকারী পর্যটকদের কাছে এটি অন্যতম প্রধান একটি আকর্ষণীয় স্পট হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

প্রধান আকর্ষণসমূহ:
• লাল কাঁকড়ার মেলা: এই চরের মূল আকর্ষণ হলো মাইলের পর মাইল বিস্তৃত বেলাভূমি জুড়ে লাল কাঁকড়াদের অবাধ ছুটে চলা ও তাদের তৈরি আলপনা।
• বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য: অতি নির্জন এই দ্বীপে প্রচুর চিত্রা হরিণ, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, বন্য শুকর এবং মাঝে মাঝে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের পায়ের ছাপ বা উপস্থিতি দেখা যায়।
• প্রাকৃতিক সৌন্দর্য: চরের একপাশে শান্ত ও পরিচ্ছন্ন সমুদ্র সৈকত, অন্যপাশে সুন্দরবনের ঘন ম্যানগ্রোভ অরণ্য এবং শরৎকালে পুরো চরজুড়ে ফুটে থাকা কাশবন এক অপার্থিব পরিবেশ তৈরি করে।
• সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত: এই দ্বীপের মোহনা থেকে বঙ্গোপসাগরের বুকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের নয়নাভিরাম দৃশ্য সরাসরি উপভোগ করা যায়।

 

 

হাড়বাড়িয়া ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র

হাড়বাড়িয়া ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। এটি মোংলা বন্দর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার এবং খুলনা শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে পশুর নদের তীরে অবস্থিত। এক দিনে সুন্দরবনের সৌন্দর্য ও বন্যপ্রাণী দেখার জন্য এটি আদর্শ স্থান।

দর্শনীয় বিষয় ও আকর্ষণ:
• কাঠের ফুট ট্রেইল: বনের গভীরতা ও সবুজের বুক চিরে তৈরি দীর্ঘ কাঠের পথ বা ট্রেইল।
• হরিণ ও বানর: ট্রেইলে হাঁটার সময় প্রায়ই চিত্রা হরিণ ও বানরের দল দেখা যায়।
• লেক ও ওয়াচ টাওয়ার: মিষ্টি পানির বড় পুকুর বা লেক এবং চারপাশের দৃশ্য দেখার জন্য টাওয়ার।
• নদী ভ্রমণ: পশুর নদ থেকে ট্রলার বা লঞ্চে করে সুন্দরবনের খাঁড়ি ধরে রোমাঞ্চকর ভ্রমণ।

 

 

নিরাপদ যাত্রা

সাধ্যের মধ্যে প্যাকেজ

প্রফেশনাল ট্যুর গাইড

New Rainbow Tours

 বিশ্বাস করে প্রতিটি ভ্রমণ শুধু একটি ট্যুর নয়, বরং জীবনের একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা। তাই নিরাপত্তা, সেবা, আরাম এবং অতিথি সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আমরা প্রতিটি ট্যুর পরিচালনা করি।